১৬ জুন, ২০১২

Download Torrent Files With IDM

Advantages of downloading torrent files with IDM

1.Internet Download Manager(IDM) is the best download manager and speeds up your overall download speed by 5 times.
2.Internet download manager speed doesn't depend on seeders,leeches etc,it only depends on your Internet connection. So, you can download torrent files with IDM without any difficulty if you have good net connection.
3.If Torrent is blocked in your offices,schools,colleges etc then you can download torrent files with Internet download Manager(IDM) easily.
4.Downloading Torrent Files With IDM is really useful when you are downloading files with less seeds.


Steps To Download Torrent Files With IDM:

1.First go to Zbigz.com[Click Here].
2.Signup for a free account there.
3.After the signup process is finished go to your torrent search engine and search for the file which you want to download with idm.
torrentz+search
4.Then download the torrent file from your desired torrent.
Download+torrent+file
5.Now go to Zbigz.com[Click Here].
6.There hit on upload and choose the torrent file which you have downloaded previously then hit Go.
upload+torrent+file+to+zbigz
7.After you hit go your torrent file will be downloaded by high speed servers and your file will be ready to download(If its a large file then wait for few minutes).
torrent+ready+to+download
8.When you hit download button then a box will pop up asking the type of download which you want either free or premium.Go for free download.
Download+torrent+file+with+idm
9.That's it your download will be ready and you can download torrent files with idm.


                    Source: Hacker Is Better


১৩ জুন, ২০১২

ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট

১. ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
প্রথমেই একটি ডোমেইন চয়েজ করতে হবে। কী নামে আপনি আপনার ওয়েবসাইট করতে চান, সেটি।
এটা হতে পারে আপনার নিজের নামে, কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে অথবা আপনার কোনো প্রিয় মানুষের নামে।
তবে ডোমেইন চয়েজ করার সময় যে দিকটা মনে রাখবেন সবচে' বেশি সেটা হলো, এমন কোনো নাম পছন্দ করুন যেটা সবার খুব সহজেই মনে থাকে, এবং মুখে বললেই অন্যজন বুঝতে পারে।
ডোমেইন নাম বাছাই করার পর, আপনাকে এখন দেখতে হবে, সেই ডোমেইনটি খালি আছে কিনা।
তাহলে আর দেরি নয়। ডোমেইন নেম নির্বাচন এবং রেস্ট্রিশন করতে চলে যান কো.সিসিতে।
এখানে ক্লিক করুন

প্রথমেই এখানে একটা একাউন্ট খুলে ফেলুন। একাউন্ট খুলতে কোনো ফি দিতে হয় না। সম্পূর্ণই ফ্রি।
একাউন্ট খোলার পর লগ-ইন করার পর যে পৃষ্ঠাটি সেখান থেকে Getting A New Domain বাটনে ক্লিক করুন।



খালি বক্সে আপনার চয়েজবল নামটি দিয়ে চেক এভেইলেবিটি বাটনে ক্লিক করুন।



ধরি আপনার পছন্দের নামটি হচ্ছে mywebsiteblog ।
এই সাইটির নাম খালি আছে তাই এটি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এতে কোনো ফি লাগবে না।



Continue to registration বাটনে ক্লিক করুন।
এবার একটি বার্তা দেখতে পাবেন_ Your new domain has been successfully registered.
ব্যাস, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলো। আপাতত এখানের কাজ শেষ। এই উইন্ডোটি বন্ধ করবেন না। এটি এভাবেই রেখেদিন।
২. হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
'''''''''''''''''''''''''''''''''''''
ডোমেইন তো ফ্রিতে পাওয়া গেলো। এবার প্রয়োজন হোস্টিং স্পেস। হোস্টিং হলো যেখানে আমার ওয়েবসাইটের ফাইলগুলো থাকে। কম্পিউটারে যেমন হার্ডডিস্ক, তেমনি অনলাইনের হার্ডডিস্ক হলো হোস্ট স্পেস।
হোস্ট স্পেস ফ্রি পাওয়া এরকম অনেক আছে। তবে আমার কাছে সবচেয়ে সহজ মনে হয়েছে ফ্রিহোস্টিয়া।
তাদের সিপ্যানেল খুবই সহজ সরল। লগ-ইন করলে আপনার কাছে সহ ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
কথা আর না বাড়িয়ে চলুন, ফ্রি হোস্টিয়াতে যাই।
------------------------------------ ফ্রিহোস্টিয়া -------------------------------
ফ্রিহোস্টিয়ার চকোলেট প্যাকেজটি ফ্রি। অন্যদুটির জন্য আপনাকে পয়সা দিতে হেব। সুতরাং চকোলেট-ই এখন আমাদের টার্গেট।
চলুন চকোলেট রেজিস্ট্রেশনের ধাপগুলো দেখি।


১. Take a Bite বাটনে ক্লিক করুন।
২. এবার যে পেজটি আসবে, এটি সাইনআপ ফরম। একটু কেয়ার নিয়ে পূরণ করতে হবে।


এখানে আপনার ডোমেইন নেমটি লিখতে হবে। দেখুন লাল চিহ্নিত স্থানগুলো।
৩. ফরম পূরণ শেষ হলে নিচে একটি ওয়ার্ড ভেরিফিকেশন ইমেজ আছে। ইমেজের ঘরে থাকা নম্বর ও অক্ষরগুলো লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন।


৪. লগিন কন্ট্রোল প্যানেল বাটনে দেখতে পাবেন। কিন্তু লগিন করার কোনো দরকার নেই। উইন্ডো ক্লোজ করে দিন।
৫. আপনার ইমেইল ওপেন করুন। ফ্রিহোস্টিয়া থেকে একটি মেইল চলে এসেছে আপনার ইনবক্সে। এই ইমেইলে আছে, আপনার ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, এফটিপি লগিন বিস্তারিত, ডিএনএস ইত্যাদি। বিস্তারিত না বুঝলে সমস্যা নেই।
৬. আপনি আবারও ফ্রিহোস্টিয়া তে চলে যান। ইমেইলে পাওয়া ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।
৭. লগিন হতে থাক, এই ফাঁকে ডোমেইন কো.সিসি-তে চলুন, যেখানে রেখে গিয়েছিলাম- সেখানে।
৮. সেটাপ বাটনে ক্লিক করুন।




৯. Manage Domain এর সেটাপ অপশনে ক্লিক করুন।



১০. এক নাম্বারে আছে দেখুন Name Server । Name Server-এর রেডিও বাটনে ক্লিক করলে দুটি বক্স আসবে। সেখানে আপনি ইমেইলে পেয়েছিলেন দুটি ডিএনএস ঠিকানা।
dns1.freehostia.com
dns2.freehostia.com
এই ডিএনএস ঠিকানা দুটি ছবির মতো করে লিখে দিয়ে সেটআপ বাটনে ক্লিক করুন



১১. তারপর যে পেজটি আসবে, সেখানে ওকে করে দিন। ব্যাস এখানে আর কোনো কাজ নেই আপনার। এখান থেকে লগ-আউট হয়ে বের হয়ে আসতে পারেন।
এবার চলুন, ফ্রিহোস্টিয়াতে যাই।
১২. ফ্রিহোস্টিয়াতে লগিন করার সাথে সাথে আমার হোস্ট কন্ট্রোল প্যানেলে চলে আসবো আমি। এখানের Site Manager ড্রপডাউন বাটন থেকে Hosted Domains-এ ক্লিক করুন।



১৩. নিচের ছবির মতো করে এখানে আপনার ডোমেইন নামটি লিখে দিন। তারপর Add Domain বাটনে ক্লিক করুন।



১৪. মূলত আপনার কাজ শতকরা ৯০ ভাগ শেষ হয়ে গেছে। বাকী দশ ভাগ কাজ হচ্ছে, আপনার সাইটে আপনি এখন কী রাখবেন, তা ঠিক করা।

Enjoy....ur new website..

                                      Source: Hacker Is Better

Use Pendrive as RAM memory

Today I,ll show you a nice trick to boost the working speed of your computer as now a days there are large number of programs and softwares which require a large amount of memory to be run properly. And often you don’t have that required memory installed as RAM. I,ll talk about this trick generally so that it may be applicable to every windows.


Manual Method to Convert USB/Pendrive Into RAM:-

Here is the required procedure for converting USB/pendrive memory into RAM manually…
1) Plug your pendrive into PC/laptop.
2) Right Click On My Computer.
3) Open up properties.
4) Go to Advanced Option.
5) Now select Settings of Performance.
6) Again Click on the Advanced Button which is shown In the popup Window.
7) Now click on Change button shown in Virtual memory.
8) Now select the available memory of your removable USB/Pendrive.
9) Set the value and apply the changes.
10) Restart your PC/Laptop and Thus you are done.


FIND US ON FACEBOOK...CLICK HERE

                                                   Source: ♠ Hacker Is Better ♠

১২ জুন, ২০১২




Jawed Karim - founder of Youtube
Jawed Karim

We Should feel Proud
Jawed Karim was born in Merseburg, East Germany, in 1979 and moved to West Germany in 1980. His father, Naimul Karim, is a researcher from Bangladesh. His mother, Christine Karim, is a German scientist and research professor of biochemistry at the University of Minnesota. The name "Jawed" comes from the Old Persian language which means "eternal". he is a Bangladesh-German descent. He is a technologist and founder of the popular video sharing site YouTube. Many core components of PayPal, including real-time anti-fraud system was designed and implemented by Karim. Karim was born in East Germany, but he crossed the Berlin Wall and raised in West Germany.

He moved to the United States with his family in 1992, two years after the reunification of West Germany and East Germans. He graduated from High School in Minnesota and he attended the University of Illinois at Urbana-Champaign. He left college before graduating became an early employee at PayPal, but in his education, he earned a Bachelor of Science degree in computer science in 2004. While working at PayPal, he met Chad Hurley and Steve Chen. The three men then set up a video sharing site YouTube in 2005. The first YouTube video, "Me on The Zoo" was uploaded by Karim on April 23, 2005.

Chad Hurley and Steve Chen, Karim

After co-founded the company and develop the concept of YouTube and a website with Chad Hurley and Steve Chen, Karim then enrolled as a graduate student in computer science at Stanford University as well as acting as an adviser on YouTube. When YouTube was acquired by Google, Karim received 137,443 shares, valued at approximately $ 64,000,000 based on the closing price of Google stock at the time.


In October 2006, Karim gave a lecture on the history of YouTube at ACM's annual conference at the University of Illinois entitled YouTube: From Concept to Hyper-growth. Lecture material also contains pictures and videos of Karim, Hurley and Chen. from the garage days of YouTube. Karim returned to the University of Illinois in May 2007 as the commencement speaker at 136 universities, in which he describes his career. More recently, Karim has launched a venture fund called University Ventures, with the goal of helping students and the former to develop and launch their business ideas.

১০ জুন, ২০১২

How To Take Care Of Ur Laptop

Dear fanz .....see the following tips to take care of your laptop.

1) Don't use it when u are on any  vehicle....

2) Don't use laptop when u are charging it.

3) Don't use it when charging is full.

4) Use a clear plastic paper on your laptop screen...it will keep from sketch, and dust.

5) Don't use free antivirus on ur laptop...as u use Internet on it...coz when u use Internet....virus can enter..and ur antivirus can't protect it.So my advice for u...go to shop ...but an Internet Security for 1 year(DVD).
And use with tension and frustration free..

6) Charge ur laptop when the power of ur battery is very low....and when charge is full....then unplug the power cable....and use laptop on battery..

7) Do not eat and drink while you’re in front of your laptop. Spilled liquids and fallen food crumbs and bits can easily damage the sensitive circuitry inside.

8) 
Do not touch the LCD screen. Close the lid gently by holding it with both hands when shutting it off. This is to avoid  breaking it. It is also important to clean your monitor with  
approved  cleaning   materials  only. Screen repairs don't come in real cheap so you  may want  to  make  sure  the  monitor  is  taken   cared  of  properly.

9) 
Keep its temperature cooler by installing a laptop cooler or chill mat to reduce its operating temperature.



৯ জুন, ২০১২

How to Hack Into a Windows XP Computer Without Changing Password Read morehow to hack into a windows xp computer without changing password

There is a far better way to get into Windows XP. It is easy and it does not reset the password. Hack into a computer running Windows XP without changing the password and find out all and any passwords on the machine (including admin accounts). You do not need access to any accounts to do this. Of course, do not do this on anyone elses computer without proper authorisation.
Bypass Windows Login screen
Steps to Hack into a Windows XP Computer without changing password:

1. Get physical access to the machine. Remember that it must have a CD or DVD drive.
2. Download DreamPackPL HERE.
3. Unzip the downloaded dpl.zip and you’ll get dpl.ISO.
4. Use any burning program that can burn ISO images.
5. After you have the disk, boot from the CD or DVD drive. You will see Windows 2000 Setup and it will load some files.
6. Press “R” to install DreamPackPL.
7. Press “C” to install DreamPackPL by using the recovery console.
8. Select the Windows installation that is currently on the computer (Normally is “1″ if you only have one Windows installed)
9. Backup your original sfcfiles.dll by typing:
ren C:\Windows\System32\sfcfiles.dll sfcfiles.lld” (without quotes)
10. Copy the hacked file from CD to system32 folder. Type:
copy D:\i386\pinball.ex_ C:\Windows\System32\sfcfiles.dll” (without quotes and assuming your CD drive is D:)
11. Type “exit”, take out disk and reboot.
12. In the password field, type “dreamon” (without quotes) and DreamPack menu will appear.
13. Click the top graphic on the DreamPack menu and you will get a menu popup.
Hack Windows Login Dreamon
14. Go to commands and enable the options and enable the god command.
Bypass and hack user account passwords
15. Type “god” in the password field to get in Windows.
You can also go to Passwords and select “Logon with wrong password and hash”. This option allows you to login with ANY password.


Like us on facebook: just click here

                                        Source: ♣ Hacker Is Better ♣

৬ জুন, ২০১২

Damage your Enemy's PC

Hack it .. The easy method


Evered wanted to know how to hack? well you can learn on how to hack, but you’ll be known as Script Kiddie

First off you will need to download ProRat SE 1.9 (Clean)
http://www.sendspace.com/file/7tlt98 [Pass: pro]
YOU WILL NEED WINRAR
and follow the steps below:

1) Extract the file onto your desktop and place them into a folder
2) Open ProRat.exe , you will get a message, press OK
3) once you see the program, click the button CREATE
4) You will get another window, enter your email into the E-MAIL section ( you will need a real email)
5) Go to GENERAL SETTINGS, and check PROTECTION FROM….
and press CREATE SERVER.

Now that you’ve finished the hardest part, follow these steps below and you can get hacking.

6) Send the program to a friend, and make sure he/she opens it.
7) Check your email, (junk in needed), and find the “Your victim is online”
8) Copy and paste the IP address onto ProRat where it says “IP:[127.0.0.1]“
9) Press CONNECT, DO NOT CHANGE THE PORT, if u did change it back to 5110
10) Type in the password (default is usually 123456, it is in the email).
11) Your done, now you can mess with the buttons on the program. Especially the GIVE DAMAGE button. It will damage their pc by format, and will make the computer useless.
I will not be responsible for your action, this article is for only education on how it works, and how to prevent it.

                                                  Source: ♠ Hacker Is Better ♠

৩ জুন, ২০১২

Winamp এর জন্য নিজস্ব স্কীন তৈরি করুন

  • ১। প্রথমে ফটোশপ অপেন করুন।
  • ২। file হতে new তে ক্লিক করুন এবং width 276 and height 118 pixels নির্ধারন করে বাকি সব সেটিং চিত্রের মত রেখে ok বাটনে ক্লিক করুন।
    newwinamp.JPG
  • ৩। এবার আপনি ফটোশপ এর ওয়ার্ক এরিয়াতে ইচ্ছামত ড্রংয়িং করুন বা কোন ইমেজ অপেন করে সেটিকে আপনার ওয়ার্কএরিয়াতে যুক্ত করুন।
  • ৪। file মেনুতে হতে save as ক্লিক করুন  এবং file name text box  এ main টাইপ করুন ফাইলের নাম হিসাবে, format এর হতে BMP নির্ধারন করে save এ ক্লিক করুন। এবার BMP options  হতে file format এর windows এবং depth হতে 16  বা 24 bit নির্ধারন করে ok তে ক্লিক করুন। ফটোশপ বন্ধ করুন।
  • ৫। এবার আপনার তৈরিকৃত main ( BMP ) format এর ফাইলটি কপি করে   C:\Program Files\Winamp\Skins ফোল্ডটার টি অপেন করে নতুন একটা ফোল্ডার নিজের নামে তৈরু করুন। এবার নতুন তৈরি করা ফোল্ডারের ভিতর আপনার main ফাইলটি পেস্ট করুন।winampclick.jpg
  • ৬। এখন winamp  চালু করে মেনুতে ক্লিক করুন। উক্ত মেনু হতে skin হতে আপনার নতুন তৈরি করা স্কীন টিতে ক্লিক করুন।

    winamp এর সফটওয়্যার টি download করতে এখানে ক্লিক করুন।

    আমাদের কে ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন।

                                    Source: ♠ Hacker Is Better ♠
                            ©Hacker Is Better2012

একসাথে ৫০-১০০ বা তারও বেশী ছবি রিসাইজ করুন

একসাথে ৫০-১০০ বা তারও বেশী ছবি রিসাইজ করুন

ফটোশপ ৭ বা সি.এস দিয়ে এর সমাধান করতে পারেন। যা করতে হবে:
১। যে ফোল্ডার এর অরজিনাল ছবি আছে, তার সাথ রিসাইজ নামে আরেকটি ফোল্ডার তৈরি করুন।
২। ফটোশপ চালু করুন এবং view হতে action বা ALT+ F9 চাপুন।( যদি একশন প্যালেট চালু না থাকে।)

৩। এবার প্যালেট এর create new action baton ক্লিক করে name text box  এ resizepic টাইপ করে Record baton এ ক্লিক করুন।
৪। এবার file>open এ ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ফটো ফোল্ডার হতে যে কোন একটি ফটো অপেন করুন।
৫। এবার image>image size এ ক্লিক করে, width 800 and height 600 type করুন। ok বাটনে ক্লিক করুন।

৬। এখন  file>save as এ ক্লিক করে format এর drop down baton এ ক্লিক করে JPEG(*.jpg,*.ipeg,*.jpe)সিলেক্ট করন এবং ফাইলের নাম পরিবতন না করে শুধুমাত্র আপনার resize folder লোকেশন নিধারন করে save baton এ ক্লিক করুন। JPEG OPTIONS এর Qulity box এ ৫ অথবা ৪ টাইপ করুন। এবার OK  বাটনে ক্লিক করুন।
৭। ফটো ফাইলটি বন্ধ করুন। একশন প্যালেট এর stop এ Cilck  করুন ।
৮। File>automate>batch এ ক্লিক করুন।

৯। এবার action dropdown হতে resizepic selet , অতপর source হতে Folder এবং choose এ ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ফোল্ডার সিলেক্ট করে দিন। একইভাবে destination হতে Folder এবং choose এ ক্লিক করে আপনার Resize ফোল্ডার সিলেক্ট করে দিন। Ok বাটনে ক্লিক করুন।
১০। দেখুন আপনার অরজিনাল ফোল্ডার হতে ( হতে পারে আপনার অরজিনাল ফোল্ডার এ হাজার এর উপরে ছবি আছে, তাতে ও কোন সমস্যা নেই। ) অটোমেটিক একের পর এক করে Resize folder এ জমা হচ্ছে, আপনার নতুন সেটিং অনুযায়ী । এই প্রসেস চলাকালিন JPEG OPTIONS box আসলে OK  বাটনে ক্লিক করুন।


আমাদেরকে ফেইসবুক এ পেতে  এখানে ক্লিক করুন
এবং পেইজটিতে লাইক দিন।


                             Source: ♠ Hacker Is Better ♠

৩১ মে, ২০১২

How to improve your RAM without any programs in Win 7

Hi Fanz,, i am going to show you a trick which improves your RAM performance in windows 7. the best part of this trick is that you don’t need to install any programs for improve the speed of your RAM. I will show you the procedure in simple steps.
Step 1: Create a New Text Document on the Desktop with Notepad. Open it and copy the above code and paste in it. “ mystring=(80000000) “ and save the changes and close it.
Step 2: Activate showing the file extension option in folder options. To go to folder options click on organize –> choose folder and search options –> it will open a window for the folder options –> click on view tab –> uncheck hide extensions for unknown file types.
Step 3: Now, Go to the created text file on the desktop and rename it to “ ram.vbe “you can see the shape and icon of the file is changed.
Step 4: Now cut the ram.vbe file and paste in the startup Folder. Now  open start menu > click on All Programs > right click on startup icon and choose open cut ram.vbe file in it
S
Step 5: Now check whether the ram.vbe file in startup or not. Confirm it by tying MSCONFIG in start menu and see whether ram.vbe file is checked in the list.
Now you are done. I hope it will helped you to improve the speed of the windows 7. thank you.

We have a Facebook Page too..
To like us click here

                                               Source: ♠ Hacker Is Better ♠


" Change all the Windows default sounds like start,exit,minimize,etc "


Before you do....for your kind info...windows sound supports only .wmv format...so if you wanna set your own voice as start up or exit windows...you hav to convert that to .wav
and dont make any sound more than 10 sec. Thank U.
To convert any mp3 or any format of audio file to wav ....click on the link,download it and convert.
click here!!

Follow the steps:

First go to control panel>Sounds and Audio Devices.

new window will open.

click on Sounds>now look at Program events>from here
select the option as ur desire.

for example, if u wanna change the exit windows sound..
so click on Exit Windows,click on Browse....for test the sound click on the option which is beside of browse option.
by default every windows has various sound for various options.
now click on browse and show the source of your desired sound.
click on apply and ok..

In the same way you can change every option of Program events..
like...start windows sound,minimize,maximize,device connect,disconnect etc.
Enjoy.

Find us on Facebook.
To like our page Click here!!

                                                       Source: ○ Hacker Is Better ○

৩০ মে, ২০১২

How to set up a network between two computers?


How to set up a network between two computers?

1. Connect the crossover Ethernet cable to
 the LAN (RJ45) ports of both the PCs.

PC - 1:

- Go to My Computer > Properties > Computer Name.
- Change the Computer Name to A and Workgroup name to ABC and click OK to save changes.
- Go to Control Panel > Network Connections.
- Right click on your LAN connection and select Properties.
- Select Internet Protocol (TCP/IP) > Properties.
- Enter these values:
IP Address - 192.168.0.1
Subnet Mask - 255.255.255.0
- Leave the other fields blank and click OK to save changes.

PC - 2:

- Go to My Computer > Properties > Computer Name.
- Change the Computer Name to B and Workgroup name
 to ABC and click OK to save changes.
- Go to Control Panel > Network Connections.
- Right click on your LAN connection and select Properties.
- Select Internet Protocol (TCP/IP) > Properties.
- Enter these values:
IP Address - 192.168.0.2
Subnet Mask - 255.255.255.0
- Leave the other fields blank and click OK to save changes.
- - -
After the connections and settings have been saved,
 both the PCs should be connected by LAN. You may
need to restart both the PCs.

You can check if the connection is working by
 pinging one PC from the other.

For PC-1, Start > Run > CMD > ping 192.168.0.2
For PC-2, Start > Run > CMD > ping 192.168.0.1

You can view the PCs in My Network Places.
 You can now use this LAN connection to play
multiplayer games or share files. You can also map a
drive on another PC to a local drive by
using My Computer > Tools >
 Map Network Drive
 > Select Drive Letter and
network path of the shared folder on the other PC

Enjoy!!!

Find us on Facebook.
To Like us click here!!

                                               Source: ♠ Hacker Is Better ♠

২৮ মে, ২০১২

Disable or Enable USB port in Windows XP



To disable the access to USB port, in windows XP and 2000:
1. Click Start, and then click Run.
2. In the Open box, type regedit, and then click OK.
3. Locate, and then click the following registry key:
HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Services\UsbStor
4. In the right pane, double-click Start.
5. In the Value data box, type 4, click Hexadecimal (if it is not already selected), and then click OK.
6. Quit Registry Editor.
To re-enable a disabled port:
1. Click Start, and then click Run.
2. In the Open box, type regedit, and then click OK.
3. Locate, and then click the following registry key:
HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Services\UsbStor
4. In the right pane, double-click Start.
5. In the Value data box, type 3, click Hexadecimal (if it is not already selected), and then click OK.
6. Quit Registry Editor.
7. Enjoy!!!

Fanz....like us on Facebook.
To like us Click Here

                                           Source: ♠ Hacker Is Better ♠

Why does Windows show my file names in blue letters?

Windows normally displays your file and folder names in black letters. When they turn a different color, though, Windows is trying to tell you something. 
In your case, Windows shows the names in blue to tell you that the files are compressed: compacted to save space. Windows decompresses them automatically when you open them, so you probably won’t even notice the slight delay.

Why bother with compression?

Microsoft added automatic compression to Windows more than a decade ago. Back then, when large hard drives were expensive, compression made sense. By compressing everything on your drive, you could cram more files onto it.
Today, compression no longer makes much sense for several reasons:
  • Hard drives cost much less, and they’re enormous compared to the tiny drives of yesteryear.
  • Your largest files today — the ones holding digital music, photos, and movies — come packaged in a format that’s already compressed. Telling Windows to compress them again won’t save much space, if any.
  • Compressing files make them more difficult to retrieve should your hard drive crash.
That said, you can return that unsettling blue color back to black in either of two ways:

Turn off compression

If your hard drive already has plenty of space, just turn off compression (and the blue letters) by following these steps:
  1. Find the folder containing your blue-lettered files or folders. (Or, if all of your file names and folders have blue letters, find that drive’s icon in the Start menu’s Computer program.)
  2. Right-click the folder (or your drive’s icon) containing the blue files and choose Properties from the pop-up menu.
  3. Click to remove the checkmark in the checkbox called, “Compress drive to save disk space.” (If you’re turning off compression for a folder or file, click the Advanced button to reveal that “Compress contents to save disk space” checkbox.)
  4. After unchecking the compression checkbox (shown below), click the OK button.
Compress Contents To Save Disk SpaceAfter a moment (or a long time, if you’re decompressing your entire drive), Windows will finish decompressing the files, and the blue letters will return to their normal black.

Keep compression, but turn off the blue color

If you want to keep compression, but also want your black letters back, follow these steps:
  1. Click the Start button and open Computer.
  2. Click the Organize button, choose Folder and Search Options from the drop-down menu, and click the View tab.
  3. Click to remove the checkmark from the box named, “Show encrypted or compressed NTFS files in color.”
  4. After unchecking the checkbox (shown below), click the OK button.
Show Encrypted Or Compressed NTFS Files in Color
Whether you turn off compression entirely or simply turn off the blue names, your file names will return to normal color.

Enjoy!!

Like us on facebook.
To like us click here

                                               Source: ♠ Hacker Is Better ♠

২৬ মে, ২০১২

HIDE Your IP


With Super Hide IP 2.0.7.2 Portable your can surf anonymously, change your IP address, protect your personal information against hackers and provide full encryption of your online activity, all with the click of a button. With this tool you can protect your privacy on the Internet


Using Super Hide IP to surf anonymously, prevent hackers from monitoring your online activities or identity thieves from stealing your identity and other personal information, send anonymous email, and un-ban yourself from forums or restricted websites. With Super Hide IP, you are able to be assigned one of our fake IP addresses which can be from different countries such as United States, United Kingdom, France, etc. Super Hide IP works with Internet Explorer, Firefox, Opera, Maxthon, MyIE and is compatible with all types of routers, firewalls, home networks, wireless networks and any other kind of Internet.

Main Features of Super Hide IP:
Anonymous Web Surfing: Click Hide IP button and you will be assigned fake IP addresses, preventing others from getting your true IP when surfing the Internet.

Protect Your Identity: Surf anonymously to prevent hackers or identity thieves from monitoring your web activity or intercepting your personal information such as your financial information.

Choose IP Country: You can select to use fake IP from different countries via "Choose IP Country" option and can Check IP directly.

Send Anonymous E-mails: Hide your IP in E-mail headers. Be protected while sending emails via Yahoo!, Hotmail, GMail.

Un-ban Yourself from Forums and Restricted Websites: Use Super Hide IP to change your IP which allows you to access any forums or websites that has ever banned you.


Download Super Hide IP 2.0.7.2 Portable
click here

Source: ♠ Hacker Is Better ♠

২৩ মে, ২০১২

Fixing Certificate Errors On Symbian Mobile Phones

If you use an Symbian S60 3rd edition based mobile phone (Nokia N-Series phones like N73, N95, N80, N91, N80 and E-Series phones use Symbian S60v3 as OS) you must have encountered the very common certificate errors like 'Certificate Expired' or 'Certificate Error. Contact Application Supplier' while installing themes or softwares on your phone.
Nokia Certificate Error
The errors are caused because of the security measures introduced into the new version of Symbian Series 60 mobile operating system disallowing installation of old applications and invalid certificates, however bypassing this security feature and fixing these certificate errors to install themes and software's is very easy, simply follow the instructions below:
  1. Open you mobile main Menu.
  2. Navigate to Settings -> General -> Date and time
  3. Now change the year back one year.
  4. Fix Certificate Error
  5. Now install the application.
  6. Don't forget to change date back to original.
If the above does not solve the problem goto Application Manager > Options > Settings and set "Online Certificate check" = Off and Software Installation = All.
UPDATE: If you own an older phone you might receive the following error:
"Installation security error. Unable to install"
To solve this error and install application/Theme navigate to Tools -> Options -> Setting -> Software Installation and change setting to On.

                                              Source: ♠ Hacker Is Better ♠

সত্যি সত্যি টাকা আয় করতে পারবেন এমন ২ টি ওয়েবসাইট।

সত্যি সত্যি টাকা আয় করতে পারবেন এমন ২ টি ওয়েবসাইট।

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যাবহার করে থাকি, তারা কোন না কোন সময় অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চেস্টা করেছি। ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় এত সহজ না। গুগল এডসেন্স থেকে আপনি টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু এটা অনেক কষ্টের কাজ। এর জন্য আপনাকে ওনেক কিছু করতে হবে, অনেক নিয়ম মানতে হবে। যারা চেষ্টা করে দেখেছে তারা জানে এটা কত কষ্টের কাজ।
এখানে আমি দুইটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিচ্ছি , এগুলোতে চেষ্টা করলে আপনি কিছু টাকা আয় করতে পারবেনঃ
১।
এখানে আপনি কিছু ছোট ছোট কাজ পাবেন,কাজ গুলো খুবই সহজ। যেমন আপনাকে ফেসবুকের একটা লিঙ্ককে লাইক করতে বলবে বা কোন সাইটে সাইন ইন করতে বলবে,এগুলো ঠিক মত করতে পারলে টাকা পাবেন।
দুই ডলারের মত জমা হলেই আপনি টাকা উঠাতে পারবেন।
২।
আপনার যদি কোন বাংলা ওয়েবসাইট থেকে থাকে তবে আপনি এই ওয়েবসাইটে গুগল এড এর মত এড দিতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে সাইন আপ করতে হবে। এর পর গুগল এড এর মত আপনি আপনার সাইটে এড দিতে পারবেন। আপনার একাউন্টে ১০ ডলার জমা হলেই আপন টাকা নিতে পারবেন। এদের ঢাকাতে অফিস আছে, আপনি চাইলে নিজে গিয়ে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন।

২২ মে, ২০১২

Online earning by মাইক্রোওয়ার্কারস

ডাটা এন্ট্রি কাজ যারা করেন তারা ভালভাবেই জানেন যে একটি ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া কতটা কঠিন। কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার জানলেই এ ধরনের কাজ করা যায়। এজন্য প্রায় প্রতিটি মার্কেটপ্লেসে এক একটি ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্ট করতে শত শত আবেদন পড়ে। এদের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট একজনকে বেছে নিতে ক্লায়েন্টদেরকে স্বীদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে হয়। প্রথম কাজ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নতুন ফ্রিল্যান্সাররা কিছুদিন বিড করার পর কাজ না পেয়ে শেষে ফ্রিল্যান্সিং করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেন। আজকে যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তাতে কাজ করার জন্য কোন বিড বা আবেদন করতে হয় না। অর্থাৎ ইচ্ছে করলে এই মূহুর্ত থেকে কাজ শুরু করে দেয়া যায়। আর কাজগুলোও অত্যন্ত সহজ। সাইটটি হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্কারস (www.microworkers.com)।

প্রথম দর্শনেই সাইটটিকে সহজবোধ্য মনে হবে। মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই সাইটের কাজগুলো অত্যন্ত ছোট ছোট। এক একটি কাজ করতে ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রতিটি কাজের মূল্য ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১.৭৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাইটে প্রতিদিনই নতুন নতুন কাজ আসে। এখানে একটি কাজ কেবলমাত্র একবারই করা যায়। মোট আয় ৯ ডলার হলেই চেক, মানিবুকার্স, পেপাল এবং এলার্টপে সার্ভিসের মাধ্যমে উত্তোলন যায়।

মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটে একজন ফ্রিল্যান্সারকে Worker এবং এবং একজন ক্লায়েন্টকে Employer হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাইটে এই দুই ধরনের ব্যবহারকারী কিভাবে কাজ করে তা নিচের কার্টুনের মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে-

Worker হিসেবে কাজ শুরু করার পূর্বে প্রথমে সাইটে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর মেনু থেকে Available Jobs লিংকে ক্লিক করে সকল কাজগুলো দেখা যাবে। প্রতিটি কাজের শিরোনামের সাথে কয়েকটি তথ্য পাওয়া যায় - কাজের মূল্য (Payment), শতকরা কতজনের কাজ ক্লায়েন্ট গ্রহণ করেছে (Success Rate), কাজটি করতে আনুমানিক কত মিনিট লাগতে পারে (Time), কতজন এ পর্যন্ত কাজটি করছে (Done) ইত্যাদি। কোন একটি কাজের শিরোনামের উপর ক্লিক করে সেই কাজের বিস্তারিত আরো তথ্য জানা যাবে। এর মধ্যে "What is expected from workers?" অংশ থেকে কাজের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যাবে। কাজটি যে আপনি যথাযথভাবে শেষ করেছেন তা প্রমাণ দিতে কি কি তথ্য প্রদান করতে হবে তা "Required proof that task was finished?" অংশের মাধ্যমে জানা যাবে। সবশেষে "I accept this job " লিংকে ক্লিক করে একটি টেক্সটবক্সে আপনার কাজের প্রমাণগুলো দিতে হবে। কোন কাজ করতে না পারলে "Not interested in this job" লিংকে ক্লিক করে বের হয়ে যাওয়াই ভাল, সেক্ষেত্রে এই কাজটি আপনার "Available Jobs" পাতায় আর কখনও দেখাবে না।

কাজের প্রকারভেদ:

এবার দেখা যাক সাইটে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর মূল্য সাধারণত কত হয় -
  • Click and Search ($0.10 - $0.15): এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি সাইটের লিংক দিবে, যাতে ভিজিট করে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ দিয়ে সার্চ করতে হবে। সব শেষে ক্লায়েন্টের বর্ণনা অনুযায়ী এক বা একাধিক বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে হবে।
  • Bookmark a page ($0.10 - $0.20): ক্লায়েন্টের কোন একটি সাইটকে অন্য একটি সাইটে বুকমার্ক করতে হবে। এ ধরনের বুকমার্ক সাইটের মধ্যে রয়েছে digg.com, delicious.com বা mixx.com, যা ক্লায়েন্ট কাজের বিবরণীতে উল্লেখ করে দিবে। বুকমার্ক করার পূর্বে ওই সাইটে আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে।
  • Signup ($0.10 - $0.20): এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় আপনার ইমেইল ঠিকানা দিতে হবে। এ ধরনের কাজ করার জন্য নিজের ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানা দেয়া ঠিক হবে না। এজন্য পৃথক একটি ইমেইল একাউন্ট খুলে সেটি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা উচিৎ। অন্যথায় স্পাম ইমেইলের কারণে আপনার দরকারী ইমেইল খোঁজে পাবেন না।
  • Comment on other blog ($0.10 - $0.15): এই কাজে ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে গিয়ে এক বা একাধিক মন্তব্য দিতে হবে। মন্তব্যগুলো সাধারণত দুই-এক লাইনের হবে এবং ওই ওযেবসাইটের বিষয়বস্তুর সাথে স্বামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
  • Forums ($0.10 - $0.15): এ ধরনের কাজের জন্য কোন একটি ফোরামে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে এবং Signature হিসেবে ক্লায়েন্টের কোন ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে। এরপর ওই ফোরামের এক বা একাধিক পাতায় স্বামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য পোস্ট করতে হবে।
  • Facebook ($0.15 - $0.20): এ ধরনের কাজের মধ্যে রয়েছে ক্লায়েন্টকে ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা বা ক্লায়েন্টের Fan হওয়া অথবা কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার Wall এ পোস্ট করা।
  • Twitter ($0.15 - $0.20): এক্ষেত্রে twitter.com এ একটি একাউন্ট থাকতে হবে এবং ক্লায়েন্টের একাউন্টকে Follow করতে হবে অথবা নিদিষ্ট কোন বিষয়ে পোস্ট করতে হবে।
  • Write an article ($0.50 - $1.75): মাইক্রোওয়ার্কারসে প্রাপ্ত কাজগুলোর মধ্যে এই ধরনের কাজ অর্থাৎ কোন বিষয়ে ইংরেজীতে আর্টিকেল লিখে সবচেয়ে বেশি আয় করা যায়। লেখাগুলো ৫০ শব্দ থেকে শুরু করে ৫০০ শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে। এ ধরনের কাজে এক দিকে যেমন ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধি পায় তেমনি নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। তবে যাদের ইংরেজীতে লেখায় দক্ষতা আছে তারাই কেবল এ ধরনের কাজ করতে পারে। লেখায় তথ্য সংযোগের জন্য ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে অন্যান্য ওয়েবসাইটের সহায়তা নেয়া যাবে, তবে আপনার লেখাটা অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। লেখা মৌলিক হল কিনা তা www.copyscape.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে।
  • Blog/Website Owners ($0.25 - $0.80): অনেক সময় শুধু লিখলেই হবে না, লেখাটা আপনার জনপ্রিয় কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এজন্য এধরনের কাজের নামের সাথে PR2+ PR3+, PR4+ ইত্যাদি লেখা দেখতে পাবেন। PR শব্দের মানে হচ্ছে Page Rank, আর PR2+ শব্দের মানে হচ্ছে যেসকল ওয়েবসাইটের পেইজ রেংক ২ বা তার অধিক। এটি গুগলের একটি মানদন্ড যা কোন ওয়েবসাইট কতটুকু জনপ্রিয় তা নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের পেইজ রেংক কত তা www.prchecker.info ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যায়। এ ধরনের কাজ শুরু করার পূর্বে www.blogger.com ওয়েবসাইটে গিয়ে বিনামূল্যে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন। প্রথম অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই পেইজ রেংক শুণ্য থাকবে। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটটিতে বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখেন তাহলে কয়েক মাস পর পেইজ রেংক বাড়তে থাকবে। লেখার পাশাপাশি ভাল রেংকের কয়েকটি ওয়েবসাইটের সাথে লিংক বিনিময় করতে পারলে পেইজ রেংক আরো তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকবে।
  • Download and/or Install ($0.25 - 0.35): এই কাজে কোন সফটওয়্যার শুধুমাত্র ডাউনলোড এবং কোন কোন সময় ইন্সটলও করতে হয়।
  • Post an Ad on Craigslist ($0.25 - $0.75): www.craigslist.org হচ্ছে শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের প্রদত্ত কোন পণ্যের বিজ্ঞাপণ craigslist.org সাইটে প্রকাশ করতে হয়। এজন্য পূর্বেই সাইটটিতে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

এই সাইটে কাজ করার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলে ঝামেলাপূর্ণভাবে কাজ করতে পারবেন -
  • কোন অবস্থাতেই একাধিক একাউন্ট তৈরি করার উচিৎ নয়। একজন ব্যবহারকারী একাধিক একাউন্ট তৈরি করলে তার সবগুলো একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়।
  • একটি নির্দিষ্ট কাজ একবারের বেশি কখনও করতে পারবেন না। তবে একই ধরনের অন্য কাজ করতে কোন বাধা নেই।
  • কাজ না বুঝে কখনও কাজ জমা দিবেন না। প্রতিটি কাজের শেষে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ পছন্দ হলে "Satisfied" দিবে, অথবা অপছন্দ হলে "Not Satisfied" রেটিং দিবে। এই দুই ধরনের রেটিং এর তুলনাকে "Success Rate" বলা হয়। গত ৩০ দিনে আপনি যদি ৫ টি কাজ সম্পন্ন করেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার "Success Rate" যদি ৭৫% এর নিচে হয়, তাহলে পরবর্তী ১ থেকে ৩০ দিন আপনি আর কোন কাজ করতে পারবেন না। তাই শতভাগ নিশ্চিত হয়ে কোন কাজ করা উচিৎ এবং কাজ শেষে ক্লায়েন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক।
  • কখনও যদি "Success Rate" ৭৫% এর কম হয়ে যায়, তাহলে হতাশ না হয়ে দুই-একদিন অপেক্ষা করে আবার কাজ করা যায় কিনা চেষ্টা করে দেখুন।
  • নতুন ব্যবহারকারীরা প্রথম প্রথম একদিনে সর্বোচ্চ ৫ টি কাজ করতে পারবেন। এরপর ক্লায়েন্টের রেটিং এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ১০ টি কাজ করার পর এই সীমাটি আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে।
  • কখনও যদি মনে করেন আপনি যথাযথভাবে কাজ করেছেন কিন্তু ক্লায়েন্ট আপনাকে "Not Satisfied" রেটিং দিয়েছে তাহলে "Submit a Complain" লিংকের মাধ্যমে আপনার অভিযোগ সাইটের কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।
  • কাজের প্রমাণ হিসেবে কখনও ভূয়া তথ্য প্রদান করবেন না, এ ধরনের কাজ তিনবার করলে একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
  • যে সকল কাজে IP এড্রেস দিতে হয় সেসব কাজ না করাই ভাল। কারণ আমাদের দেশের ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা গ্রাহকদেরকে শেয়ারকৃত IP এড্রেস দিয়ে থাকে। ফলে আপনার মত একই ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ আছে এরকম কেউ সেই কাজটি পূর্বে করে থাকলে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ গ্রহণ করবে না। আমাদের দেশে বিশষত গ্রামীণফোন বা সিটিসেলের ইন্টারনেট ব্যবহাকারী বেশি হওয়ায় এই সমস্যাটা তাদের ক্ষেত্রে বেশি হবে।

অর্থ উত্তোলন:

  • শুধুমাত্র "Satisfied" রেটিং পেলেই সেই কাজের টাকা আপনার একাউন্টের ব্যালেন্সের সাথে যুক্ত হবে।
  • চারটি পেমেন্ট পদ্ধতির যে কোনটিতে টাকা তুলতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হয়। চেকের ক্ষেত্রে ৪.৫০ ডলার, পেপালের ক্ষেত্রে ৬%, মানিবুকার্স এবং এলার্টপে পদ্ধতিতে ৬.৫% ফি দিতে হয়।
  • একাউন্টের ব্যালেন্স ৯ ডলারের উপর হলেই কেবলমাত্র টাকা তুলতে পারবেন। সাথে ফি দেবার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ একাউন্টে থাকতে হবে।
  • প্রথম Withdraw করার আবেদনের সময় আপনার বাসার ঠিকানায় চিঠির মাধ্যমে একটি PIN নাম্বার পাঠানো হবে। এই নাম্বারটি পরবর্তীতে সাইটে প্রবেশ করাতে হবে। কেউ একাধিক একাউন্ট তৈরি করেছে কিনা তা যাচাই করতে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়। PIN নাম্বারের চিঠিটি আসতে ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগতে পারে।
  • ঠিকানা যাচাই করার পর পরবর্তী Withdraw আবেদনের ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে মূল্য পরিশোধ করা হবে।

আমাদের দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সাররা ইতিমধ্যে এই সাইটে কাজ করছেন এবং তারা সাইট থেকে নিয়মিত টাকা পাচ্ছেন। তবে একটা বাস্তব সত্য হচ্ছে এই সাইট থেকে খুব বেশি পরিমাণে আয় করা যায় না। যারা পড়ালেখা বা অন্য কাজের পাশাপাশি ইন্টারনেট থেকে বাড়তি আয় করতে চান তাদের জন্য এই সাইট অবশ্যই আয়ের একটি ভাল উপায় হতে পারে। এই সাইটের জনপ্রিয়তা এত বেশি যে, ইদানিংকালে এই সাইটকে অনুকরণ করে আরো অনেক ওয়েবসাইট চালু হয়েছে।

                                      Source: ♣ Hacker Is Better ♣

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সার হবার পদ্ধতি

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।

গতানুগতিক চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। ইন্টারনেটের কল্যানে এখন আপনি খুব সহজেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন। এখানে একদিকে যেরকম রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে বিভিন্নধরনের কাজ বাছাই করার স্বাধীনতা। আয়ের দিক থেকেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং এ রয়েছে অভাবনীয় সম্ভাবনা। এখানে প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ আসছে। প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবসাইট, গেম, 3D এনিমেশন, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফ্টওয়্যার বাগ টেস্টিং, ডাটা এন্ট্রি - এর যেকোন এক বা একাধিক ক্ষেত্রে আপনি সফলভাবে নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করে নিতে পারেন। তবে প্রথমদিকে আপনাকে একটু ধ্যর্য এবং কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। এই প্রতিবেদনটি তাই এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে সফলভাবে প্রকাশ করতে পারেন।

ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয় যাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এগুলো থেকে যেকোন একটিতে রেজিস্ট্রিশনের মাধ্যমে আপনি শুরু করতে পারেন। এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজগুলো সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Provider বা Coder. একটি কাজের জন্য অসংখ্য কোডাররা Bid বা আবেদন করে এবং ওই কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা উল্লেখ করে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ এবং বিড করার সময় কোডারের মন্তব্য কোডার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোডার নির্বাচন করার পর ক্লায়েন্ট কাজের সম্পূর্ণ টাকা ওই সাইটগুলোতে জমা করে দেয়। এর মাধ্যমে কাজ শেষ হবার পর সাথে সাথে টাকা পাবার নিশ্চয়তা থাকে। পুরো সার্ভিসের জন্য কোডারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ ওই সাইটকে ফি বা কমিশন হিসেবে দিতে হয়। এই পরিমাণ ওয়েবসাইট এবং সার্ভিসভেদে ভিন্ন ভিন্ন (১০% থেকে ১৫%)। কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট হচ্ছে:

www.RentACoder.com
রেন্ট-এ-কোডার এ প্রায় দুই লক্ষ কোডার রেজিস্ট্রেশন করেছে। এই সাইটে প্রতিদিনই প্রায় ২৫০০ এর উপর কাজ পাওয়া যায়। সাইটের সার্ভিস চার্জ বা কমিশন হচ্ছে প্রতিটি কাজের মোট টাকার ১৫% যা কাজ সম্পন্ন হবার পর কোডারকে পরিশোধ করতে হয়। এই প্রতিবেদনটি মূলত রেন্ট-এ-কোডার সাইটকে ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। তবে মূল ধারনা প্রতিটি সাইটের ক্ষেত্রেই প্রায় একই।

www.GetAFreelancer.com
এই সাইটে মোট কোডার বা প্রোভাইডারের সংখ্যা হচ্ছে প্রায় সাত লক্ষ। এই সাইটেও প্রায় ২৫০০ এর উপর কাজ প্রতিদিন পাওয়া যায়। সাইটির সার্ভিস চার্জ হচ্ছে প্রতিটি কাজের মোট টাকার ১০%। তবে গোল্ড মেম্বারদের জন্য কোন সার্ভিস চার্জ নেই। গোল্ড মেম্বার হতে প্রতি মাসে আপনাকে মাত্র ১২ ডলার পরিশোধ করতে হবে। নতুন ইউজারদের জন্য এই সাইটে ট্রায়াল প্রোজেক্ট নামে একটি বিশেষ ধরনের কাজ পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র নতুন কোডারাই বিড করতে পারবে। ফলে প্রথম কাজ পেতে আপনাকে খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।

www.Joomlancers.com
এই সাইটে শুধুমাত্র Joomla এর কাজ পাওয়া যায়। Joomla হচ্ছে একটি ওপেনসোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যারা Joomla তে পারদর্শী তারা এই সাইটে বিড করে দেখতে পারেন। এখানে প্রায় ৫৫০০ ফ্রিল্যান্সার রেজিস্ট্রেশন করেছে আর প্রতিদিন প্রায় ১৫০ টি কাজ পাওয়া যায়। এই সাইটে কমিশন হিসেবে প্রতিটি কাজের ১০% টাকা কোডারকে পরিশোধ করতে হবে। এই সাইটেও আপনি গোল্ড মেম্বার হতে পারবেন। গোল্ড মেম্বার হতে হলে আপনাকে প্রতি মাসে ৫০ ডলার প্রদান করতে হবে।

www.oDesk.com
এক সাইটের ফিচার উপরে উল্লেখিত সাইটগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে প্রোভাইডারকে ঘন্টা হিসেবে কাজের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়। ক্লায়েন্ট আপনাকে সম্পূর্ণ প্রজেক্টের জন্য বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস এর জন্য) নিয়োগ করতে পারে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রতি ঘন্টায় আপনার কাজের মূল্য উল্লেখ করে দিতে হবে। কাজ শেষে আপনি যত ঘন্টা কাজ করেছেন ঠিক ততটুকু পরিমাণ টাকা ক্লায়েন্ট আপনাকে প্রদান করবে। কাজ করার মূহুর্তে আপনার ব্যয়কৃত সময় নির্ধারণ করার জন্য আপনাকে একটি সফ্টওয়্যার চালু রাখতে হবে, যা একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর আপনার ডেস্কটপের স্ক্রিসশট এবং অন্যান্য তথ্য ক্লায়েন্টের কাছে পাঠাবে। ফলে ওই সময় আপনি কাজ করছেন কিনা ক্লায়েন্ট সহজেই নির্ধারণ করতে পারবে। তবে অন্য সাইটগুলোর মত এখানেও অনেক কাজ পাওয়া যায় যেখানে সম্পূর্ণ প্রজেক্টের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়। এই সাইটে প্রতি কাজের জন্য ১০% টাকা কমিশন হিসেবে প্রদান করতে হয়। যেহেতু বেশিরভাগ কাজ ঘন্টা হিসেবে প্রদান করা হয় তাই অন্য সাইটগুলোর তুলনায় এই সাইট থেকে অনেক বেশি পরিমাণে আয় করা সম্ভব।

Source: ♣ Hacker Is Better ♣

Tips about Freelancer

আউটসোর্সিং:
প্রথমেই দেখে নেয়া যাক আউটসোর্সিং এবং অফশোর আউটসোর্সিং (Offshore Outsourcing) কি এবং কেন করা হয়। আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে পণ্যের শুধু ডিজাইন করা অথবা সম্পূর্ণ উৎপাদন অন্য প্রতিষ্ঠান দিয়ে করিয়ে নেয়া। আউটসোর্সিং এর সিদ্ধান্ত সাধারণত নেয়া হয় উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পর্যাপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবেও আউটসোর্সিং করা হয়। অন্যদিকে অফশোর আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজ দেশে সম্পন্ন না করে ভিন্ন দেশ থেকে করিয়ে আনা। প্রধানত ইউরোপ এবং আমেরিকার ধনী দেশগুলো অফশোর আউটসোর্সিং করে থাকে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে পণ্যের গুণগত মান ঠিক রেখে কম পারিশ্রমিকের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করা। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমন - ডাটা প্রসেসিং, প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, টেকনিকাল সাপোর্ট ইত্যাদি) অফশোর আউটসোর্সিং করা হয়। যেসকল দেশ এই ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেইন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপিনস, রাশিয়া, পাকিস্থান, পানামা, নেপাল, বাংলাদেশ, রোমানিয়া, মালয়শিয়া, মিশর এবং আরো অনেক দেশ।

ফ্রিল্যান্সিং:
এবার দেখে নেয়া যাক, ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) কি এবং কিভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার (Freelancer) হওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সার হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি ছাড়া কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা। গতানুগতিক ৯টা-৫টা অফিস সময়ের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার স্বীমাবদ্ধ নয়। ইন্টারনেটের কল্যাণে ফ্রিল্যান্সিং এখন একটি নির্দিষ্ট স্থানের সাথেও সম্পর্কযুক্ত নয়। আপনার সাথে যদি থাকে একটি কম্পিউটার আর একটি ইন্টারনেট সংযোগ তাহলে যেকোন জায়গাতে বসেই আপনি ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন। হতে পারে তা ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, ছবি সম্পাদনা, ডাটা এন্ট্রি বা কেমবলমাত্র লেখালেখি করা।

ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস:
ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আউটসোর্সিং এর সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। এই সকল সাইটকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটে দুই ধরনের ব্যবহারকারী থাকে। এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজগুলো সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Freelancer, Provider, Seller অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে Coder. একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য একাধিক ফ্রিল্যান্সাররা আবেদন করে, যাকে বলা হয় বিড (Bid) করা। বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সাররা কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী উল্লেখ করে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ এবং বিড করার সময় ফ্রিল্যান্সারের মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট একজন ফ্রিল্যান্সারকে নির্বাচন করে থাকে। ফ্রিল্যান্সার নির্বাচন করার পর ক্লায়েন্ট প্রজেক্টের সম্পূর্ণ টাকা ওই সাইটগুলোতে এস্ক্রো (Escrow) নামক একটি একাউন্টে জমা করে দেয়, যা কাজ শেষ হবার পর সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সারের পাওনা পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে। কাজ শেষ হবার পর ফ্রিল্যান্সারকে সম্পূর্ণ প্রজেক্টটি ওই সাইটে জমা দিতে হয়। এরপর ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারের কাজটি যাচাই করে দেখে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ক্লায়েন্ট তখন সাইটে একটি বাটনে ক্লিক করে কাজটি গ্রহণ করে। সাথে সাথে এস্ক্রো থেকে অর্থ ওই সাইটে ফ্রিল্যান্সারের একাউন্টে এসে জমা হয়। সম্পূর্ণ সার্ভিসের জন্য এসময় ফ্রিল্যান্সারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১০% বা ১৫%) ওই সাইটকে ফি বা কমিশন হিসেবে দিতে হয়। এরপর মাস শেষে সাইটটি ফ্রিল্যান্সারের আয়কৃত অর্থ বিভিন্ন পদ্ধতিতে তার কাছে প্রেরণ করে।

নিচে কয়েকটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য, তাদের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:

গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার (www.GetAFreelancer.com)
বৈশিষ্ট্য:

* এই সাইটে রেজিষ্ট্রেশনকৃত মোট প্রোভাইডার বা ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা হচ্ছে সাড়ে আট লক্ষের উপর।
* সাইটে প্রতিদিন দুইশত এর উপর নতুন প্রজেক্ট আসে এবং সবমিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে নয় হাজার প্রজেক্ট বিড করার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
* সাইটটির সার্ভিস চার্জ হচ্ছে প্রতিটি কাজের মোট অর্থের ১০%।

সুবিধাসমূহ:

* গোল্ড মেম্বারদের জন্য কোন সার্ভিস চার্জ নেই। প্রতি মাসে মাত্র ১২ ডলার পরিশোধ করে গোল্ড মেম্বার হওয়া যায়।
* নতুন ইউজারদের জন্য এই সাইটে ট্রায়াল প্রজেক্ট নামে একটি বিশেষ ধরনের কাজ পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র নতুন ফ্রিল্যান্সাররাই বিড করতে পারে। ফলে এই সাইটে প্রথম কাজ পেতে একজন ফ্রিল্যান্সারকে খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয় না।

অসুবিধাসমূহ:

* এখানে এস্ক্রোতে টাকা জমা রাখা বাধ্যতামূলক নয়, যা সম্পূর্ণভাবে বায়ারের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
* এই সাইটে বিড করার ক্ষেত্রে একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। একজন সাধারণ মেম্বার প্রতি মাসে ১৫ টি প্রজেক্টে বিড করতে পরে আর গোল্ড মেম্বারদের জন্য এই সংখ্যা হচ্ছে ১৬০টি।


স্ক্রিপ্টল্যান্স (www.ScriptLance.com)
বৈশিষ্ট্য:

* এই সাইটে মাত্র তিন হাজার সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার রয়েছে যারা অন্তত একটি কাজ সম্পন্ন করেছে।
* প্রতিদিন গড়ে ১৫০টি নতুন প্রজেক্ট আসে এবং এই মূহুর্তে মোট উন্মুক্ত প্রজেক্ট পাওয়া যাচ্ছে ১৮০০ টি।
* এখানে সার্ভিস চার্জ অন্যান্য সাইট থেকে তুলনামূলকভাবে কম, মোট অর্থের ৫%।

সুবিধাসমূহ:

* সার্টিফাইড প্রোগ্রামারদের জন্য কোন সার্ভিস চার্জ হচ্ছে ২.৫%। প্রতি মাসে মাত্র ২৫ ডলার পরিশোধ করে সার্টিফাইড প্রোগ্রামার হওয়া যায়।
* এই সাইটে ফ্রিল্যান্সারদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য একটি ফোরাম রয়েছে।

অসুবিধাসমূহ:

* গেট এ ফ্রিল্যান্সার সাইটের মত এখানেও এস্ক্রোতে টাকা জমা রাখা বাধ্যতামূলক নয়, যা বায়ারের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।


রেন্ট-এ-কোডার (www.RentACoder.com)
বৈশিষ্ট্য:

* এই সাইটের ফিচার গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার এবং স্ক্রিপ্টল্যান্স থেকে অনেকটা ভিন্ন। যদিও এই সাইটিতে নতুনদের প্রথম কাজ পাওয়া কিছুটা কষ্টসাধ্য কিন্তু এর কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের জন্য অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের কাজে খুব জনপ্রিয়।
* রেন্ট-এ-কোডার এ প্রায় দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার কোডার রেজিস্ট্রেশন করেছে।
* এই সাইটে প্রতিদিনই প্রায় ২৫০০ এর উপর কাজ বিড করার জন্য উন্মুক্ত হিসেবে পাওয়া যায়।
* সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ হচ্ছে মোট অর্থের ১৫% এবং বোনাস প্রজেক্টের ক্ষেত্রে এই চার্জ হচ্ছে ১০%। উল্লেখ্য, বোনাস প্রজেক্ট হচ্ছে সেই সব প্রজেক্ট যাতে বায়ারকে এস্ক্রোতে কোন অর্থ জমা রাখতে হয় না এবং কাজ শেষে কোডারকে সরাসরি মূল্য পরিশোধ করে।

সুবিধাসমূহ:

* এস্ক্রোতে অর্থ জমা রাখা এই সাইটে বাধ্যতামূলক। কাজ শুরুর পূর্বে বায়ার প্রজেক্টের সম্পূর্ণ অর্থ এস্ক্রোতে জমা রাখে, যা কাজ শেষে কোডারের অর্থ প্রাপ্তি শতভাগ নিশ্চিত করে।
* এই সাইটে একজন ফ্রিল্যান্সার ইচ্ছেমত যে কোন প্রজেক্টে বিড করতে পারে।
* এই সাইটের নিয়মকানুন অন্য সাইটগুলো থেকে কিছুটা কঠিন, যা পরিশেষে বায়ার এবং কোডারের জন্য একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ প্রদান করে।

অসুবিধাসমূহ:

* সাইটটির সার্ভিস চার্জ অন্যান্য সাইট থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি।
* অন্য সাইটের গোল্ড মেম্বার ফিচারের মত কোন সুবিধা এখানে নেই।
* নতুনদের জন্য এই সাইটে আলাদা কোন সুবিধা নেই, ফলে প্রথম কাজ পাওয়াটা এই সাইটে তুলনামূলকভাবে সময়সাপেক্ষ।

ওডেস্ক (www.oDesk.com)
বৈশিষ্ট্য:

* এক সাইটের ফিচার উপরে উল্লেখিত সাইটগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে প্রোভাইডারকে একটি প্রজেক্টে প্রতি ঘন্টা কাজের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়।
* ক্লায়েন্ট সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস এর জন্য) এক বা একাধিক প্রোভাইডারকে নিয়োগ দেয়। অনেকক্ষেত্রে প্রজেক্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন কাজ করতে হয়।
* কাজ করার মূহুর্তে প্রোভাইডারের ব্যয়কৃত সময় নির্ধারণ করার জন্য প্রোভাইডারের কম্পিউটারে একটি সফটওয়্যার চালু রাখতে হয়, যা একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তার ডেস্কটপের স্ক্রিনশট এবং অন্যান্য তথ্য ক্লায়েন্টের কাছে পাঠায়। ফলে ওই সময় সে কাজ করছেন কিনা ক্লায়েন্ট সহজেই যাচাই করতে পারে।
* এই সাইটে প্রতি কাজের জন্য ১০% অর্থ কমিশন হিসেবে প্রদান করতে হয়।

সুবিধাসমূহ:

* যেহেতু প্রতি ঘন্টা কাজের জন্য মূল্য পরিশোধ করা হয় তাই অন্য সাইটগুলোর তুলনায় এই সাইট থেকে অনেক বেশি পরিমাণে আয় করা সম্ভব।
* এখানে অনেক প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে সম্পূর্ণ প্রজেক্টের জন্য মূল্য পরিশোধ করা হয়। ফলে যারা ঘন্টা ধরে কাজ করতে পছন্দ করে না তারাও এই সাইট থেকে কাজ করতে পারবে।

অসুবিধাসমূহ:

* একটি প্রজেক্টে কাজ করতে প্রতিদিন ফ্রিল্যান্সারকে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় অনলাইনে লগইন থেকে কাজ করতে হয়। ব্যাপারটা অনেকটা অফিসে বসে একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজ করার মত, যা অনেক ফ্রিল্যান্সারের কাছে পছন্দ নয়।
* কাজ করার সময় ওডেস্কের সফটওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর প্রোভাইডারের কম্পিউটারের ডেস্কটপের ছবি বায়ারের কাছে পাঠায় যা একজন ফ্রিল্যান্সারের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব করে।


অনলাইনে কাজের প্রকারভেদ
অনলাইনে প্রায় সকল ধরনের কাজ করা যায়। আপনি যে কাজে পারদর্শী তা দিয়েই ঘরে বসে আয় করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতকধারী হতে হবে তা কিন্তু নয়। আর আপনি যদি মনে করেন কোন একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আপনি বিশেষ পারদর্শী নন তাহলে ডাটা এন্ট্রির মত কাজগুলো সহজেই করতে পারেন। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর প্রায় সকল ধরনের কাজ পাওয়া যায়। প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট তৈরি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া থেকে শুরু করে ডাটা এন্ট্রি, ডাটা প্রসেসিং, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অথবা কোন ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল লেখা - কি নেই সাইটগুলোতে। অনলাইনে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় তা জানতে নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করুন। এখানে গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে এই মূহুর্তে (২০ নভেম্বর ২০০৮) যে ধরনের কাজ, যত সংখ্যায় পাওয়া যাচ্ছে তা উল্লেখ করা হল -

Programming
Website Development
PHP (913)
AJAX (297)
.NET (250)
Javascript (228)
C/C++ (194)
ASP (181)
XML (169)
Java (166)
Visual Basic (97)
Website Design (813)
Web Promotion (516)
SEO projects SEO (495)
Link Building (288)
Script Installation (162)
Joomla (151)
OsCommerce (146)
Website Security (72)
Graphics & Multimedia
Data Entry
Graphic Design (353)
Flash (322)
Photoshop (143)
Logo Design (134)
Video Services (75)
Banner Design (98) Data Entry (410)
Data Processing (300)
Excel (45)
Writing
Marketing & Management
Copywriting (435)
Proofreading (129)
Translation (106)
Legal Advice (13) Market Research (229)
Telemarketing (191)
Project Management (102)
Accounting/Bookkeeping (29)

অন্যদিকে আরেকটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইট www.GetACoder.com পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে এ পর্যন্ত যে সকল প্রজেক্ট সাবমিট করা হয়েছে তার মধ্যে প্রোগ্রামিং (৩৬.৯%) এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্টের (২৬.৮%) কাজগুলোই সবচেয়ে বেশি। তার পরবর্তী স্থানে রয়েছে গ্রাফিক্স/মাল্টিমিডিয়া (১২.৪%) এবং ডাটাবেইজের (১২.৩%) কাজগুলো। নিচের চার্টের মাধ্যমে নভেম্বর ২০০৮ তারিখে ওই সাইটে প্রাপ্ত কাজের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হল (বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন) -


ফ্রিল্যান্সিং এ কয়েকটি গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়
ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যা ভালভাবে না জানার কারণে অনেকে সফলভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন না। নিচে এরকম কয়েকটি বিষয় আলোকপাত করা হল:

রেটিং (Rating) - একটি কাজ সম্পন্ন হবার পর ক্লায়েন্ট কাজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে প্রোভাইডারকে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে রেটিং দেয়। এখানে সর্বোত্তকৃষ্ট রেটিং হচ্ছে ১০ এবং সর্বনিম্ন রেটিং হচ্ছে ১। নতুন কাজ পাবার ক্ষেত্রে এই রেটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই সবসময় ১০ রেটিং পাওয়ার জন্য প্রজেক্টের রিকোয়ারমেন্ট পরিপূর্ণভাবে এবং দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা উচিত।

রেংকিং (Ranking) - একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইটে রেজিষ্ট্রেশনকৃত সকল প্রোভাইডারের মধ্যে একজন নির্দিষ্ট প্রোভাইডারের অবস্থান কত তা জানা যায় রেংকিং এর মাধ্যমে। সাধারণত একজন প্রোভাইডারের গড় রেটিং এবং সে কত বেশি ডলারের কাজ করেছে তার উপর ভিত্তি করে রেংকিং নির্ধারণ করা হয়। রেটিং এর মত রেংকিংও নতুন কাজ পাবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যার রেংকিং যত সামনের দিকে তার কাজ পাবার সম্ভাবনা অন্যদের চাইতে বেশি।

ডেডলাইন (Deadline) - প্রত্যেক প্রজেক্ট শেষ করার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন সময় থাকে। এই সময়ের পূর্বে অবশ্যই কাজ শেষ করতে হয়। কোন প্রোভাইডার যদি ডেডলাইনের পূর্বে কাজ শেষ করতে না পারে তাহলে বায়ার ইচ্ছে করলে তাকে কোন মূল্য পরিশোধ না করে সম্পন্ন কাজটি নিয়ে যেতে পারে। উপরন্তু ক্লায়েন্ট সেই প্রোভাইডারকে একটি নিম্নমানের রেটিং দিয়ে দিতে পারে। তাই কোন প্রজেক্টের ডেডলাইন সময় প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে কাজ শুরুর পূর্বেই বায়ারকে অনুরোধ করে বাড়িয়ে নেয়া উচিত।

মেডিএশন/আর্বিট্রেশন (Mediation/Arbitration) - একটি প্রজেক্ট চলাকালীন সময় বায়ার এবং প্রোভাইডারের মধ্যে কোন সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য মেডিএশন এর ব্যবস্থা রয়েছে। এই পদ্ধতিতে সাইটের যথাযথ কতৃপক্ষ উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে এবং সমাধানের কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়।

এসক্রো (Escrow) - কাজ শুরু করার পর ক্লায়েন্ট কাজের সম্পূর্ণ অর্থ ওই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে জমা রাখে। এই জমা রাখাকে বলা হয় এসক্রো যা কাজ সম্পন্ন হবার পর কোডারের টাকা পাবার সম্ভাবনা নিশ্চিত করে। ক্লায়েন্ট টাকা এসক্রোতে জমা রাখা পূর্বে কাজ শুরু করা উচিত নয়।